এসেন সানকুলের পলিমাল্চ ব্যবহার করে বেগুন চাষে লাভবান কৃষক অসীম মন্ডল

Tuesday, 09 April 2019 11:50 AM

বেগুন পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের একটি অন্যতম মুখ্য সবজি যার চাহিদা সারাবছরই থাকে । বেগুন চাষে পলিমাল্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়, রোগ পোকার থেকেও ফসলকে সুরক্ষিত রাখা যায়। আর পলিমাল্চ বলতে এসেন সানকুলের ২০ জি এস এম –এর পলিমাল্চ সর্বোৎকৃষ্ট, যার কোন তুলনাই হয় না। সানকুলের পলিমাল্চ ফিল্মগুলির বিশেষ বৈজ্ঞানীক পদ্ধতিতে তৈরী করা হয় যার উপরের দিকটি রুপোলী ও ভেতরের দিকটি কালো বর্ণের। বাইরের দিকের রুপোলী বর্ণ সুর্যের আলোর  বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে বেগুন গাছের সালোকসংশ্লেষের মাত্রা বাড়িয়ে গাছের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় ও ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়। আবার কালো রঙের ভেতরের দিকটি মাটিতে সুর্যরশ্মি প্রবেশ করতে না দেওয়ায় আগাছা একেবারেই জন্মাতে পারে না। তবে পলিমাল্চ বেডের জন্য ড্রিপ সেচ হল সর্বোৎকৃষ্ট। ড্রিপ সেচ না লাগালে ঘন ঘন অল্প পরিমান জল সেচের প্রয়োজন।

চাষ পদ্ধতি – বেগুন বৈশাখ-জৈষ্ঠ মাসে বোনা হয়। চারা রোপনের আগে মূল জমিতে ৪০ কুইন্টাল জৈব সার বা ২৫ কুইন্টাল কেঁচো সার, ১৫ কেজি নিম কোটেড ইউরিয়া, ৭৫ কেজি সি. সু. ফসফেট, ১০ কেজি মিউরেট অফ পটাশ মিশিয়ে বেড তৈরি করতে হবে। বেডের উপর সানকুলের পলিমাল্চ বিছিয়ে দিতে হবে। এর পর পলিমাল্চে মাপ অনুযায়ী গাছ থেকে সারির দূরত্ব অনুযায়ী ফুটো করে চারা বসাতে হবে। উঁচু বেডের মাঝের নিচু নালাগুলিতে ঘন ঘন অথচ অল্প পরামাণে জলসেচ দরকার।

এসেন কোম্পানীর এই পলিমাল্চ আগাছা নিয়ন্ত্রণের সাথে সাথে সুসংহত উপায়ে কীট দমনে প্রভুত সাহায্য করে ফলে জৈব উপায়ে বেগুন উৎপাদন করতে সুবিধা হয়।

সম্প্রতি সানকুলের ২০ জি এস এম –এর পলিমাল্চ ব্যবহার করে চাকদহ, নদীয়ার কৃষক শ্রী অসীম মন্দল বেগুন চাষ করছেন, ড্রিপ সেচ ছাড়াই অভূতপূর্ব সুবিধা ও ব্যাপক ফলন পেয়েছেন যা তিনি আমাদের জানালেন। 

  • মাল্চ ছাড়া বেগুন চাষের থেকে মাল্চদিয়ে তার নিড়েনের খরচা আশি শতাংশ কম লেগেছে।
  • রোগ-পোকার উপদ্রব আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

 

ভালো গুণমানের উৎপাদনের জন্য তিনি বেগুন বিক্রি করে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করেছেন বলে জানালেন।

রুনা নাথ(runa@krishijagran.com)



Krishi Jagran Bengali Magazine Subscription Subscribe Online

Download Krishi Jagran Mobile App

CopyRight - 2018 Krishi Jagran Media Group. All Rights Reserved.