এই 20টি ব্যবস্থা পোল্ট্রি খামারকে বার্ড ফ্লু থেকে নিরাপদ রাখবে! ভার্মি কম্পোস্ট ইউনিটের জন্য ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি পাওয়া যাবে, শীঘ্রই আবেদন করুন এই হাইব্রিড জাতের টমেটো 900 কুইন্টাল প্রতি হেক্টর ফলন দেবে দুধের সঠিক সময় বেছে নিলে উৎপাদন বাড়বে, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
Updated on: 21 October, 2019 8:02 PM IST

প্রায় হারিয়ে যাওয়া শোল মাছের প্রাকৃতিক ভাবে পোনা উৎপাদন ও বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করে মাছ চাষীরা লাভবান হতে পারেন। বেকার যুবক ছোট্ট পুকুর বা ডোবায় মাত্র পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকায় এই ব্যাবসা শুরু করতে পারেনচাষে খরচ কম, অল্প জায়গায়, লাভজনক চাষ। ছোট পুকুরে চাষ করা যাবে, পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকার ব্যাবসা।মাত্র দেড় ডেসিম্যাল পুকুর থেকে এক বছরে প্রায় এক টন উৎপাদন হবে। যেকোনো পুকুরে করা যাবে, তবে পরিবেশ তৈরী করে দিতে হবে। কচুরি পানা, কলমি লতা থাকলে ভালো, এই মাছ আড়ালে আবডালে থাকতে চায়। নেট বা জাল দিয়ে পুকুর ঘিরে দিতে হবে। মাছ চাষীরা নিজেই শোল মাছের বাচ্চা পোনা তৈরি করে নিতে পারেন। এর জন্য ৬ ডেসিম্যালের একটু বড় পুকু্‌র, যেখানে ১০-১২ টি পুরুষ ও স্ত্রী বড় শোল মাছ ছাড়া আছে, এরকম দুটি ভিন্ন জলাশয়ের ব্রুড মাছ সংগ্রহ করে নিতে হবে, পোনা উৎপাদন করার জন্য।প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শোল মাছের পোনা উৎপাদন করা খুবই সহজ।এমনিতে শোল মাছ বৈশাখ মাসের প্রথম থেকে প্রজনন করে । 

স্ত্রী ও পুরুষ শোল মাছ কীভাবে চিনবেন?

শোল মাছের পেটের দিকে চাপ দিলে লালা বের হয়। স্ত্রী মাছের লালার রঙ হলুদ, পুরুষ মাছের লালা সাদা রঙের হয়। শোল মাছের ডিমগুলি জলের ওপর ভাসতে থাকে। স্ত্রী মাছ যেখানে ডিম দেয়, শিশু মাছ না হওয়া পর্যন্ত পুরুষ ও স্ত্রী উভয় মাছই সেখানে ঘুরে বেড়ায়পুকুর থেকে সপ্তাহখানেক বয়সের বাচ্চা সংগ্রহ করে নিয়ে ঐ গুলি বড় পুকুরে ছেড়ে দিতে হবে। হাফ ইঞ্চি সাইজের পোনা বিঘায় ৫০টি করে ছাড়া যেতে পারে।  ছোট মাছই এর প্রধান খাদ্য।শোল মাছকে খাবার হিসেবে চিংড়ি, শুটকির গুঁড়া ভালোভাবে পিষে দিতে হবে এবংমাছ কুচি কুচি করে কেটে ট্রে তে করে দিতে হবেএভাবে ১৫ দিন খাওয়ানোর পর পোনাগুলো প্রায় ২ইঞ্চি সাইজের হবে।  

তবে মাছের ক্ষত রোগ-এর সম্ভাবনা অনেক সময় থাকে। এর জন্য সাবধানতা হিসেবে পুকুরে যাতে বাইরের জমির জল না প্রবেশ করে, সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতি মাসে পুকুরে (জলের এক মিটার গভীরতার জন্য) প্রতি ডেসিম্যাল-এ ২৫০-৩০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করে যেতে হবে এবং শীতের সময়ে ডেসিম্যাল পিছু ১ কেজি নুন প্রয়োগ করলে উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়া এই রোগ হলে সিফাক্সওষুধ প্রয়োগ করলে হাতে নাতে ফল পাওয়া যায়। 

৬ মাসে এগুলির ওজন ৭০০- ১০০০ গ্রাম হয় একইসাথে রুই, কাতলা মাছের মতো বড় মাছের উৎপাদনের পুকুরে এই মাছের মিশ্র চাষ করা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র - ড. সুমন কুমার সাহু , মৎস্য সপ্রসারন আধিকারিক, হলদিয়া

English Summary: Farmers -can -earn -more- by- cultivating-snakehead- fish
Published on: 21 October 2019, 08:02 IST