আগামী দিনের খাদ্য : স্কন্দ জাতীয় ফল (Tuber crop)

Monday, 01 January 0001 12:00 AM

গোটা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন একটি বিষয়ে বিশেষ ভাবে চিন্তিত যে বিশ্ব উষ্ণায়ন এর প্রভাব যে ভাবে প্রধান খাদ্য ফসলের উৎপাদনের উপর পড়ছে (ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি) তাতে আগামি ভবিষ্যতে পৃথিবীর অধিক জনবহুল দেশ গুলিতে খাদ্য সংকট দেখা যেতে পারে।কারণ বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর ফলে পৃথিবী গত ২০ লাখ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গরম হয়ে যাবে ।

একটি পরিসংখ্যান বলছে ১৮৮০ সাল থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ০.৬° C বেড়েছে । ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীর ঊষ্ণতা ২.৫° C এবং ২০৫০ সাল নাগাদ ৩.৮° C বেড়ে যেতে পারে । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গত ২০০০০ বছরের তুলনায় শেষ শতকে বিশ্বের উষ্ণতা বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে । আমাদের ভারত বর্ষ এর বাইরে নেই।আগত ২০৫০ সালের মধ্যে কম বেশি আরো ১.৫-২.০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। আর তাপমাত্রা বাড়লে আজকে যেসব প্রধান খাদ্য ফসল উৎপন্ন হচ্ছে সেগুলি যে তাপমাত্রা পর্যন্ত সহনশীল তার বেশি হয়ে গেলেই সেই সব ফসল আর তেমন ভাবে ফসল ফলাবে না।ফলন ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।

এটি অবশ্যম্ভাবী এর থেকে নিস্তার নেই।তাহলে!?আগামী দিনের খাদ্য কি !?পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা আপাতত একটি সমাধান খুঁজে বের করেছেন সেটি হলো "স্কন্দ জাতীয় ফসল" যেমন :কাসভা, ওল ইত্যাদি।পরীক্ষা করে দেখা গেছে এগুলি মধ্যে কিছু প্রজাতি যেমন কাসভা,ওল প্রায় ৪৪ ডিগ্রি থেকে ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহন করতে পারে এবং ফসলের উৎপাদনের উপর কোনো প্রভাব পড়ে না।এইসব ফসলের মধ্যে বিশেষত কাসভা(পাহাড়ি এলাকায় অনেকে এটিকে শিমুলতারু হিসেবে চেনে) যার খাদ্যগুণ বরঞ্চ আমাদের বর্তমান প্রচলিত খাবার গুলির থেকেও বেশি।পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন তাই আগের থেকেই এই কাসভা থেকে চাল, নুডুলস ও বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বানানো শুরু করে দিয়েছে ও খাদ্য তালিকায় সংযুক্ত করেছে।এবার আমাদের পালা।

- অমরজ্যোতি রায়



Krishi Jagran Bengali Magazine Subscription Subscribe Online

Download Krishi Jagran Mobile App

CopyRight - 2018 Krishi Jagran Media Group. All Rights Reserved.