করলে হাঁস পালন মিলবে আয়ের মাধ্যম

অন্যান্য গার্হস্থ্য পোল্ট্রি প্রজাতির মত, হাঁসের অনেক প্রজাতি রয়েছে। কিছু হাঁস মাংস উৎপাদনের জন্য জনপ্রিয়, কিছু ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, কিছু প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এমনকি উভয় উদ্দেশ্যর জন্য ভাল কিছু হাঁসের প্রজাতি পাওয়া যায়। এদেরকে দ্বৈত হাঁসের প্রজাতি রূপে চিহ্নিত করা হয়। ভারতে অনেকেই হাঁস পালন করেন। আমাদের দেশে হাঁস চাষকেন্দ্রিক ব্যবসার সুবিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বে এটি বেশীরভাগ বাড়িতে ডিমের জন্য লালন করা হত, তবে এখন এটি কর্মসংস্থানেরও মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

KJ Staff
KJ Staff

অন্যান্য গার্হস্থ্য পোল্ট্রি প্রজাতির মত, হাঁসের অনেক প্রজাতি রয়েছে। কিছু হাঁস মাংস উৎপাদনের জন্য জনপ্রিয়, কিছু ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, কিছু প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এমনকি উভয় উদ্দেশ্যর জন্য ভাল কিছু হাঁসের প্রজাতি পাওয়া যায়। এদেরকে দ্বৈত হাঁসের প্রজাতি রূপে চিহ্নিত করা হয়।

ভারতে অনেকেই হাঁস পালন করেন। আমাদের দেশে হাঁস চাষকেন্দ্রিক ব্যবসার সুবিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বে এটি বেশীরভাগ বাড়িতে ডিমের জন্য লালন করা হত, তবে এখন এটি কর্মসংস্থানেরও মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মুরগীর চেয়ে হাঁসের কম রোগ হয়। তবে সাধারণত হাঁসের রোগের জীবাণু সংক্রামক। সংক্রামিত হাঁস থেকে অপর হাঁসেরও সংক্রমণ ঘটে। সুতরাং, হাঁসপালনে উপযুক্ত রোগ প্রতিরোধ পদ্ধতি দক্ষতা এবং সতর্কতার সাথে অবলম্বন করতে হবে, যাতে করে হাঁস স্বাস্থ্যকর থাকে এবং তার থেকে সর্বোত্তম উৎপাদন নিশ্চিত হয়। প্লেগ, ভাইরাস, হেপাটাইটিস ইত্যাদি প্রধান ক্ষতিকারক হাঁস রোগ। রোগ প্রতিরোধের জন্য সঠিক সময়ে টীকা প্রদান জরুরি।

রোগের লক্ষণ -

  • খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিতে পারে।
  • ঘন ঘন জল খাওয়া।
  • ঠোঁটের রঙের পরিবর্তন হতে পারে।
  • হাঁসের পালক অবিন্যস্ত হয়ে যায়।
  • পাখনা বেশী ঝুলে যেতে পারে।

কৃষক কৃষিকাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের জন্য হাঁস পালন করতে পারেন। এই ব্যবসার জন্য খুব বেশী মূলধন নিয়োগের প্রয়োজন পড়ে না এবং মুরগীর তুলনায় হাঁস পালন লাভজনক।

হাঁস পালনের উপকারিতা -

  • হাঁসটি যদি উন্নত জাতের হয় তবে, এটি এক বছরে ৩০০ টিরও বেশি ডিম দিতে পারে। এর ডিমগুলির ওজন প্রায় ৬৫-৭০ গ্রাম।
  • আর্দ্র জমিতে মুরগী পালন না করা গেলেও হাঁস পালনের জন্য তা আদর্শ।
  • হাঁস প্রতি বছর বেশী ডিম দেয় এবং মুরগীর ডিমের চেয়ে তার মূল্য বেশী।
  • হাঁসের আয়ু দীর্ঘ হয় এবং ডিমের উত্পাদন ক্ষমতাও দীর্ঘদিন থাকে।
  • সকালের আগে হাঁসরা ৯৬ শতাংশ ডিম পাড়ে।
  • ভাল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে।
  • এই প্রাণী জলাভূমির উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং হাঁস-কাম-মাছ চাষ, হাঁস-চাল চাষের জন্য উপযুক্ত।
  • হাঁসের ব্রুডিং পিরিয়ড স্বল্প সময় থাকে এবং তা দ্রুত বর্ধনশীল।
  • হাঁস খাদ্য হিসাবে পোকামাকড়, পুকুর থেকে শামুক ইত্যাদি গ্রহণ করে থাকে। সুতরাং এর খাদ্যে পালকের ব্যয় কম হয়।
  • হাঁসের মাংস খুবই সুস্বাদু এবং ভারত ছাড়াও বিশ্বজুড়ে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে, সময়ের সাথে সাথে এর চাহিদাও ক্রমবর্ধমান।

স্বপ্নম সেন (swapnam@krishijagran.com)

 

Published On: 20 April 2020, 12:44 AM English Summary: Know the benefits Duck farming

Like this article?

Hey! I am KJ Staff . Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters