আগাছা দমন করতে ব্যবহার করুন এসেন কোম্পানীর পলিমাল্চ

KJ Staff
KJ Staff
এসেন কোম্পানীর সানকুল পলিমাল্‌চ
এসেন কোম্পানীর সানকুল পলিমাল্‌চ

পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চল বাদে বাকী সব জায়গায় সবজি চাষে আগাছা একটি বড় সমস্যা। আর আজকের বাজারে সবজি থেকে লাভ পেতে চাষিরা ঘাড়ের উপর ঘাড়ে ফসল ফলাতে অভ্যস্ত। সেচ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে এখন জমি খালি পড়ে থাকে কই? তবে আগাছানাশে বেশী শ্রম খরচ কমাতে আর লাভের কড়ি গুনতে চাষিরা জমিতে ‘টোটাল উইড কিলার’ দিয়ে দেন বছরে প্রতি মরশুমের শুরুতেই। ফলে জমির অবস্থা খারাপ থেকে আরো খারাপ হচ্ছে আর পরিবেশে মিশছে বিষ। আগাছার সমস্যা রোধে ‘মাল্চিং’ এক কার্যকরী ‘ক্লাইমেট স্মার্ট’ পদ্ধতি। এর জন্য যেমন দেশীয় ব্যাবস্থায় মাল্চ ব্যবহার করা যায় তেমনই অধুনিক ব্যবস্থায় এসেন কোম্পানীর সানকুলের পলিমাল্চ এখন বাজারে খুবই জনপ্রিয়।

সবজি চাষে চারা বা বীজ বসানোর আগে উঁচু বেডে জমি ভাগ করে বেডের উপর পলিশিটের মাল্চ পেতে দিলে আগাছার সমস্যার সাথে জলসেচ কম লাগে, তাপ নিয়ন্ত্রিত হয় সাথে রোগ পোকাও কম লাগে। বর্তমানে পলি মাল্চের উপর ফুটো করে সেই স্থানে চারা ও বীজ লাগিয়ে সুন্দর মাল্চের উপর সবজি চাষ সম্ভব হচ্ছে। খুব বর্ষাকাল বাদে শীতে ও গ্রীষ্ম - প্রাক গ্রীষ্মে মাল্চিং এক কার্যকরি পদ্ধতি।

তবে বর্ষাতে উঁচু জমিতে একটু উঁচু করে মাল্চিং করে জল নিকাশী ভালোভাবে করলে চমৎকার স্মার্ট পদ্ধতিতে আগাছার সমস্যা মিটিয়ে সবজি পাবেন। বিশেষ করে এই মাল্চে কনজারভেশন হবার জন্য উৎপাদনও দেড়গুণ বেড়ে যায়। আর এর সাথে ড্রিপ ব্যবস্থা চালু থাকলে দুগুন ফলন অনায়াসে সম্ভব। পলিমাল্চ সম্ভব না হলে প্রাক গ্রীষ্মের জমিতে বাওয়া সবজি বা শীতের সবজিতে খড় বা ফসলের অবশেষ ইত্যাদি দিয়ে মাল্চেও  বেশ কিছুটা লাভ পাওয়া সম্ভব।

- রুনা নাথ (runa@krishijagran.com)

Like this article?

Hey! I am KJ Staff. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters