
পশুপালন ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতির একটি শক্তিশালী ভিত্তি, যা লক্ষ লক্ষ কৃষক এবং পশুপালকদের জীবিকা নির্বাহ করে। কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং তাদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকার জাতীয় প্রাণিসম্পদ মিশন ( NLM) এর মতো প্রকল্প পরিচালনা করছে । এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল পশুপালন ব্যবসার প্রচার , দেশীয় জাত সংরক্ষণ এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান।
জাতীয় প্রাণিসম্পদ মিশনের অধীনে , হাঁস- মুরগি , ভেড়া, ছাগল এবং শূকর পালনের মতো কার্যকলাপের জন্য ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয় । আপনি যদি পশুপালনে যোগদান করে আপনার আয় বাড়াতে চান, তাহলে অবশ্যই এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিন! এখানে আমাদের সম্পর্কে প্রতিটি তথ্য জানান।
এগুলিতে ৫০ % ভর্তুকি পাওয়া যাবে
জাতীয় প্রাণিসম্পদ মিশন (NLM) এর অধীনে, পশুপালকদের হাঁস-মুরগি পালন , ভেড়া-ছাগল এবং শূকর পালনের জন্য ঘের নির্মাণের পাশাপাশি পশুখাদ্য ও শস্যের ব্যবস্থার জন্য ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয় । এই প্রকল্পটি পশুপালকদের পশুখাদ্য, শস্য সরবরাহ এবং ঘের তৈরিতে সহায়তা করে যাতে তারা আরও ভালো লাভ অর্জন করতে পারে। আপনি যদি পশুপালন ব্যবসা থেকে আপনার আয় বাড়াতে চান , তাহলে আপনি এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন।
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী?
- পশুপালন ব্যবসা শুরু করার জন্য কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
- খাদ্য ও পশুখাদ্যের চাহিদা মেটাতে সম্পদ সরবরাহ করা ।
- দেশীয় জাত সংরক্ষণ এবং উন্নত করা ।
- ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করা ।
- পশুপালকদের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ।
কিভাবে লাভ করা হয়?
গ্রামাঞ্চলে ভেড়া, ছাগল এবং শূকর পালন ব্যাপকভাবে করা হয় , যা কৃষকদের দ্বিগুণ লাভ দেয়।
- বর্জ্য পদার্থ কৃষিকাজেসার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- মাংস ব্যবসারমাধ্যমে ভালো আয় হয় ।
কিভাবে আবেদন করবেন?
আপনি যদি পশুপালনের সাথে জড়িত থাকেন এবং আপনার আয় আরও বাড়াতে চান, তাহলে জাতীয় প্রাণিসম্পদ মিশন (NLM) এর অধীনে এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করুন। এর জন্য, আপনাকে পশুপালন ও দুগ্ধ বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে ।
Share your comments