(Bee keeping) ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি কৃষক পাবেন মৌ পালনে

KJ Staff
KJ Staff
Honeybee
Honeybee

আজকের সময়ে, কৃষি এবং কৃষকরা যেমন দেশের জন্য জরুরি, তেমনি পশুপালনও গুরুত্বপূর্ণ এক খাত। কৃষকরা পশুপালন থেকে ভাল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। কৃষকদের জন্য, পশুপালন এমন একটি ব্যবসা যাতে ক্ষতির সম্ভাবনা কম। কৃষিকাজের পাশাপাশি পশুপালনও দেশের সব রাজ্যে প্রচার করা হচ্ছে। এ জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি বহু পরিকল্পনা চালাচ্ছে। এই মর্মে হরিয়ানায়, মৌমাছি পালন প্রচারের জন্য মৌপালনে ভর্তুকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মৌমাছি পালনে ভর্তুকি বাড়ানো -           

হরিয়ানায় মৌমাছি পালন সম্পর্কিত ভর্তুকি ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে মৌমাছি পালনের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হত, তবে এখন ৪৫ শতাংশ বাড়িয়ে তা ৮৫ শতাংশ দেওয়া হবে। সূত্র অনুযায়ী, রাজ্যের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ শীঘ্রই মৌমাছি পালন ও প্রচার সহ অন্যান্য প্রকল্পগুলিতে বর্ধিত ভর্তুকির পরিমাণ প্রচার করবে। এর অধীনে, কৃষক, মৌ-পালনকারী এবং বেকার যুবকদের আরও অনুপ্রাণিত করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক মৌমাছি পালন করা যায়।

ভর্তুকির জন্য কীভাবে যোগাযোগ করবেন -

উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারী প্রকল্পে ভর্তুকি বৃদ্ধির পরিমাণ সম্পর্কিত বিষয়ে কৃষক, উদ্যানবিদ ও বেকার যুবকরা কুরুক্ষেত্রের একীভূত মৌমাছি পালন উন্নয়ন কেন্দ্র, রামনগরের উদ্যান পরিচালনা কর্মকর্তা বা উপ-পরিচালকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এর পরে, আপনি আবেদন করতে পারেন এবং স্কিমগুলির সুবিধা নিতে পারেন।

মৌ পালনের বাক্স -

কৃষকদের রামনগর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে মৌ পালনের বাক্স সংগ্রহ করতে হবে। এ ছাড়া উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ স্বীকৃত বি-ব্রিডার থেকে মৌমাছি সরবরাহ করবে। একটি বাক্সে ৫০-৬০ হাজার মৌমাছি রাখা যেতে পারে। এর থেকে ১ কুইন্টাল পর্যন্ত মধু পাওয়া যায়।

ফসলের গুণগতমান ও ফলন বৃদ্ধি - 

রাজ্যে মৌমাছি পালন প্রচারের মাধ্যমে পরাগায়নের মধ্য দিয়ে ফসলের গুণগত মান ও ফলন বাড়ানো হবে। অনেক কৃষক মৌমাছি পালন করলে তা তাদের জমির কাছে রাখতে দেয় না, কারণ তারা মনে করেন যে মৌমাছি তাদের সমস্ত ফসল খাবে। কিন্তু মৌমাছিরা ফসলের ক্ষতি তো করেই না, বরং ফসলের ফলন বাড়িয়ে তোলে। মৌমাছি ফসলের সবচেয়ে বড় বন্ধু পোকা। ১ একর সরষের মধ্যে মৌমাছির পরাগায়ণে ৩ থেকে ৪ কুইন্টাল পর্যন্ত ফলন বৃদ্ধি পেতে পারে। এইভাবে, সরিষার তেলে সালফারের পরিমাণ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

অনুদানের অর্থ -

বি ব্রিডার প্রকল্পের জন্য ৫০ লাখে ৪ লাখ টাকা।

প্রতি মৌমাছি কলোনীতে এবং ৫০ টি বাক্সে ২৪ হাজার।

মৌমাছি পালন সরঞ্জামের জন্য ৪০ হাজার টাকায় ৫০ শতাংশ অনুদান।

কাস্টম হায়ারিং সেন্টার- প্রতি প্রকল্পের জন্য ৭৫ লক্ষে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

মধু ও অন্যান্য মৌমাছির কোল্ড স্টোরেজ প্রতি প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৮০ লাখ টাকায়।

প্রতি প্রকল্পে টেস্টিং ল্যাবে ১ কোটি টাকায় সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান।

মৌমাছি পালন সরঞ্জাম উত্পাদন ইউনিট প্রতি প্রকল্পে ২০ লক্ষ টাকায় সর্বোচ্চ 8 লক্ষ টাকা অনুদান।

Image source - Google

Related Link - PM KISAN - পিএম কিষাণের কিস্তি পাননি? সপ্তম কিস্তি পেতে আবেদন করুন এই পদ্ধতিতে

Like this article?

Hey! I am KJ Staff. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters