Cherry Tomato Farming: চেরি টমেটো চাষে উপার্জন করুন লাখ টাকা, জেনে নিন কৌশল

KJ Staff
KJ Staff
Cherry Tomato (Image Credit - Google)
Cherry Tomato (Image Credit - Google)

চেরি টমেটো রূপ-গুনে অতুলনীয় | দেখতে অনেকটা আঙুরের মতো হলেও, এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি | অতি উচ্চ ফলনশীলতা, দীর্ঘ্য সময় ধরে ফলন হওয়া, কম পচনশীলতা ও বাজারে উচ্চ চাহিদা থাকার কারণে চেরি টমেটো চাষ কৃষকদের কাছে আগ্রহ হয়ে উঠছে |

একেবারেই অল্প বিনিয়োগে অনেক বেশী মুনাফা অর্জন করা সম্ভব এই টমেটো চাষের মাধ্যমে। চেরি টমেটো আমাদের দেশের আবহাওয়ায় চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। চেরি টমেটোর বিঘাপ্রতি ফলন প্রায় ৫ টন। এই নিবন্ধে চেরি টমেটোর চাষ (Cherry Tomato cultivation) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো;

মাটি ও জলবায়ু (Soil and Climate):

সব ধরণের মাটিতে চেরী টমেটোর চাষ করা যায়। তবে দো-আশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি বেশি উপযোগী। সাধারণত ২০ থেকে ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা টমেটোর ফলনের জন্য অধিক উপযোগী |

জমি তৈরী (Land preparation):

জমি ভালোভাবে চাষ করে এবং মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। বীজ বপনের ১৫-২০ দিন পর চারা রোপণের উপযুক্ত হয়। চারা রোপণের দূরত্ব সারি থেকে সারি ৫৫-৬০ সেন্টিমিটার, চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪০-৪৫ সেন্টিমিটার হওয়া ভালো। নভেম্বর থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত চারা রোপন করা যায়।

সার প্রয়োগ (Fertilizer):

অত্যধিক পরিমাণে ফলন হওয়ায় গাছের পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সার প্রয়োগ করতে হবে। গোবর বা কম্পোস্ট সার বিঘা প্রতি ৭০০-৮০০ কেজি হারে দিতে হবে। টিএসপি, ইউরিয়ার পরিবর্তে ডিএপি ৮০ থেকে ৯০ কেজি। এমপি ৩০ থেকে ৪০ কেজি। তবে এমওপি সার ৩-৪ বারে প্রয়োগ করা ভাল।

পরিচর্যা:

যেহেতু এই টমেটো গাছ লতানো উদ্ভিদ তাই গাছ বড় হওয়ার সাথে সাথেই মাচান করে দিতে হবে এবং গাছ শক্ত লাঠির সাথে বেধে দিতে হবে। এজন্য গাছের ১-১.৫ ফুট পর্যন্ত কোন ডাল রাখা যাবে না। নিয়মিত নিড়ানী দিতে হবে এবং মাটির উপরিভাগ আলগা করে দিতে হবে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো-বাতাস প্রবেশের সুবিধাসহ মাটি রস বেশিদিন ধরে রাখতে পারবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ৪ থেকে ৬ বার সেচ দিতে হবে। তবে চারা লাগানোর ৩ থেকে ৪ দিন পর হালকা এবং পরবর্তীতে প্রতি কিস্তি সার প্রয়োগের পর সেচ দিতে হবে।

রোগ ও প্রতিকার (Disease management system):

মূলত ২ টি পোকা টমেটোর প্রধান শত্রু,  জাব পোকা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা। জাব পোকা টমেটোর গাছের পাতা, কচি ডগা ও কান্ড থেকে রস শুষে খেয়ে গাছের মারাত্মক ক্ষতি করে এবং গাছে মোজাইক রোগ ছড়ায়। এ পোকা দমনে ১০০০ লিটার জলের সাথে রগোর এল-৪০/ সাইফানন ৫৭ ইসি বা ক্লাসিক-২০ ইসি মিশিয়ে প্রতি হেক্টর জমিতে স্প্রে করতে হবে। অন্যদিকে ফল ছিদ্রকারী পোকার শুককীট টমেটো ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে ফলন নষ্ট করে ফেলে। এ পোকা দমনের জন্য প্রথমত আক্রান্ত পাতা ও ফল সংগ্রহ করে আগুনে পুড়িয়ে বা মাটিতে পুতে ফেলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। যদি বেশি পরিমাণে আক্রান্ত হয় তবে ফরাটাপ বা কেয়ার-৫০ এসপি ২  গ্রাম হারে প্রতি লিটার জলের সাথে মিশিয়ে সারা ক্ষেতে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। এছাড়াও বাইকাও-১ প্রয়োগ করে পোকা দমন করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন - Pisciculture – গ্রামীণ যুবক ও মহিলাদের কর্মসংস্থান, আয়ের সুযোগ প্রচুর

আরও পড়ুন - Black Goat Farming: কম খরচ আর ঝুঁকিতে কালো ছাগল পালনে অধিক লাভ করুন

Like this article?

Hey! I am KJ Staff. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters