'ছত্তিশগড় মসুর -১' এই নতুন জাতের মসুর ডাল চাষ দেবে ২৫ শতাংশ বেশী ফলন

Wednesday, 29 April 2020 05:48 PM

ইন্দিরা গান্ধী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষকদের উপহার দিয়েছে এক নতুন জাতের মসুর। এই প্রজাতির মসুর খুব কম জলে উচ্চ ফলন দিতে সক্ষম। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স এবং উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে, 'ছত্তিশগড় মসুর -১' নামে পরিচিত এই নতুন জাতটি সহজেই ৮৮-৯৫ দিনের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যায়। এর গড় ফলন প্রায় ১৪ কুইন্টাল, যা সাধারণ মসুরের চেয়ে বেশী।

ছত্তিশগড় মসুর -১ এর বৈশিষ্ট্য

ছত্তিশগড় মসুর -১ এর ফুল হালকা বেগুনি বর্ণের। এর শস্যগুলির গড় ওজন হয় ৩.৫ গ্রাম, যার কারণে এতে কম সেচ প্রয়োজন হয়।

জেএল -৩ এর চেয়ে বেশী ফলন -

এই জাতটিকে জেএল -৩ এর সাথে তুলনা করে দেখা গেছে, ‘ছত্তিশগড় মসুর -১ জাতটি’ ২৫ শতাংশ বেশী ফলন দেয়। এটিতে ২৪.৬ শতাংশ প্রোটিন সামগ্রী রয়েছে, যা আধা-সেচ পর্যায়ে সবচেয়ে উপযুক্ত।

মৃত্তিকা -

যে কোন মাটিতে (যেখানে সাধারণত মসুরের চাষ হয়) এর চাষ করা যেতে পারে । তবে মাটির পিএইচ মান ৫.৮-৭.৫ হলে তা ভাল ফলনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। মনে রাখতে হবে বেশী ক্ষারীয় এবং অম্লীয় মাটি এর জন্য ভাল নয়।

বপন - বিশেষজ্ঞদের মতে, বীজ বপনের ২০-৩৫ দিন পরে প্রথম সেচ এবং তারপর ৭০-৭৫ দিন পরে দ্বিতীয় সেচ কার্য প্রদান করা উচিৎ। জল যান উদ্ভিদের গোড়ায় না জমে, তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

স্প্রিংকলার সেচ -

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্প্রিংকলার সেচ এই চাষে সর্বোত্তম সহায়ক হতে পারে। এতে জল সাশ্রয়ের পাশাপাশি ব্যয়ও হ্রাস পাবে।

স্বপ্নম সেন (swapnam@krishijagran.com)

English Summary: Chhattisgarh-1 this new variety of lentil can give farmers 20 % more yield

আপনার সমর্থন প্রদর্শন করুন

প্রিয় অনুগ্রাহক, আমাদের পাঠক হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মতো পাঠকরা আমাদের কৃষি সাংবাদিকতা অগ্রগমনের অনুপ্রেরণা। গ্রামীণ ভারতের প্রতিটি কোণে কৃষক এবং অন্যান্য সকলের কাছে মানসম্পন্ন কৃষি সংবাদ বিতরণের জন্যে আমাদের আপনার সমর্থন দরকার। আপনার প্রতিটি অবদান আমাদের ভবিষ্যতের জন্য মূল্যবান।

এখনই অবদান রাখুন (Contribute Now)

CopyRight - 2018 Krishi Jagran Media Group. All Rights Reserved.