বর্ষায় বাজরা চাষে (Millet in Monsoon) প্রচুর লাভ, তার আগে তৈরি করুন জৈব সার

KJ Staff
KJ Staff

দেশের বিভিন্ন রাজ্যে খারিফ মরশুমে (Monsoon 2020) বিভিন্ন ধরণের ফসলের চাষ করে থাকেন কৃষকেরা৷ এই তালিকায় রয়েছে বাজরাও৷ বহু কৃষকের কাছেই অবশ্য খারিফে বাজরা চাষ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷ আর এই সমগ্র চাষই বৃষ্টির ওপরে নির্ভরশীল৷

তাই ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাজরা বপনের (Millet Sowing) উপযুক্ত সময় বলে মনে করা হয়৷ এতে ফসলের উৎপাদন বাড়ে এবং লাভও নিশ্চিত হয়ে যায়৷ খারিফ মরশমের সময়সীমা জুন-সেপ্টেম্বর, বলা যায় এই সময়ের ফসলের স্থায়িত্বকাল অন্যান্য মরশুমের ফসলের থেকে অনেক বেশি৷

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চাহিদা এবং পরিবেশের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন খারিফ শস্য চাষ করা হয়ে থাকে৷ (মন্ত্রক সূত্রে খবর, মূলত পশ্চিমবঙ্গে (১১.২৫ লক্ষ হেক্টর), তেলঙ্গানা (৭.৪৫ লক্ষ হেক্টর), ওড়িশা (৩.১৩ লক্ষ হেক্টর), আসাম (২.৭৩ লক্ষ হেক্টর), কর্ণাটক (১.৬৪ লক্ষ হেক্টর) এবং ছত্তিশগড় (১.৫০ লক্ষ হেক্টর), তামিলনাড়ু (১.৩০ লক্ষ হেক্টর), বিহার (১.২২ লক্ষ হেক্টর), মহারাষ্ট্র (০.৬৫ লক্ষ হেক্টর), মধ্য প্রদেশ (০.৫৯ লক্ষ হেক্টর), গুজরাট (০.০৪ লক্ষ হেক্টর) এবং কেরালায় (০.৪6 লক্ষ হেক্টর) খারিফ শস্য চাষ হয়ে থাকে।)

বৃষ্টিতে বাজরার বীজ বপন (Millet Sowing in Monsoon)-

উল্লেখ্য, বর্ষাকালে ৫০ এমএম-এর বেশি বৃষ্টি হলে বাজরা চাষ করা যেতে পারে৷ তবে এই চাষে জৈব সার প্রয়োগ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷ কারণ রাসায়নিক সার বারবার ব্যবহার করলে জমির গুনমান ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷

কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে চলতি বছরে বাজরার ভালো ফলন পেতে জুলাই মাস থেকেই এর রোপন কার্যের প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া উচিত৷ সেই সঙ্গে এও উল্লেখযোগ্য যে, এক একর চাষের জমিতে প্রায় দেড় থেকে দু কিলো বীজ বপন করা উচিত৷

জৈব সারের ব্যবহার (Usage of Organic Manure)-

রাসায়নিক সার বারবার ব্যবহারের জমির ক্ষতি না করে, ফসল বাড়াতে এবং সেই সঙ্গে জমিকেও ঠিক রাখতে জৈব সার বেশি প্রয়োগ করলে ভালো৷ এতে জমি উর্বরতা আরও বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়া জৈব সার তৈরি করা যেমন সহজ, কেনার ক্ষেত্রেও ব্যয় অনেক কম হয়৷ এতে মাটি বাড়তি শক্তি পায় এবং তার গুনাগুন অক্ষুণ্ণ থাকে৷

জৈব সার তৈরি (Preparation of Organic Manure)-

জৈব সার তৈরি কীভাবে করবেন দেখে নিন৷ সবথেকে প্রথমে প্রয়োজন অনুসারে নিমপাতা, নিমের বীজ, আকন্দ, ধুতুরার পাতা, সবুজ লঙ্কা কুচো করে মিশিয়ে নিয়ে এর রস বের করে নিতে হবে৷ এবার এতে যতটা প্রয়োজন ততটা গরুর গোবর, এক টুকরো তামা, এক টুকরো লোহা একটি মাটির পাত্রে (কলসী) ঢেলে রাখতে হবে৷ এবার এটি প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিনের জন্য কোনও গাছের তলায় ছায়াতে রেখে দিতে হবে৷ দু সপ্তাহ পরে এই মিশ্রণ বের করে এনে ছেঁকে নিয়ে তা চাষের জমিতে ছড়িয়ে দিতে হবে৷

বর্ষা চ্যাটার্জি

আরও পড়ুন-

খামখেয়ালি বর্ষাকালে (Cultivation in Monsoon) চাষ হবে লাভজনক, রইল টিপস্

Like this article?

Hey! I am KJ Staff. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters