Campbell Duck Farming: ক্যাম্পবেল হাঁস পালনে মুরগির চেয়েও হবে বেশি লাভ

রায়না ঘোষ
রায়না ঘোষ
Campbell duck (image credit- Google)
Campbell duck (image credit- Google)

বর্তমানে ডিম উৎপাদনের জন্য হাঁস পালন (Poultry Firming) বেশ জনপ্রিয় | তবে, বেশি ডিমের জন্য খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস (Campbell duck )পালন করা যেতে পারে | প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিচর্যা করলে এই হাঁস বছরে ৩০০টি ডিম দিতে সক্ষম | এই হাঁস টানা ২-৩ বছর একই হারে ডিম দেয়।সংকরায়ন পদ্ধতিতে উৎপন্ন এটি একটি উন্নত প্রজাতির হাঁস এবং মুরগির চেয়ে এই ব্যবসা খুবই লাভজনক |

ক্যাম্পবেল হাঁসের বাসস্থান(House):

এদের মুরগির মতো ভালো বাসস্থানের প্রয়োজন হয়না | মেঝেতে হাঁস পালন করতে চাইলে প্রতি হাঁসের জন্য ১২০ বৰ্গ সেন্টিমিটার (প্রায় ৪ বৰ্গফুট) জায়গার প্রয়োজন হয়। হাঁসের ঘরের উচ্চতা ১৫০ সেন্টিমিটার বা ৫ ফুট রাখতে হয় | মেঝে স্যাতসেঁতে হলে ঠান্ডা লেগে হাঁসের অসুখ হতে পারে, তাই ঘরের মেঝে পাকা হলে ভালো হয় | সর্বদা মেঝে পরিষ্কার রাখতে হবে | ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে | যেমন, ৩০০ বর্গফুট স্থানের জন্য ১টি ৬০ ওয়াট বাল্বের দরকার | হাঁসের চড়ার জন্য একটু খোলা জায়গা রাখতে হবে |

ক্যাম্পবেল হাঁসের খাদ্য ও খাদ্য প্রদানের নিয়ম(Food):

মুরগির চেয়ে হাঁসের কম খাবারের প্রয়োজন, তাই অনেকেই পোল্ট্রি ব্যাবসায় (Poultry Business) হাঁস পালনে আগ্রহী হচ্ছে | তবে হাঁসকে সঠিক পরিমান ও নিয়ম মেনে খাবার প্রদান করতে হয় | শামুক ও গুগলি হাঁসের প্রিয় খাদ্য, যা তাদের আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে | হাঁসকে নির্দিষ্ট পাত্রে খাবার দিতে হয় | হাঁসকে সবসময় খাবার ম্যাশ অর্থাৎ নরম করে দিলে তা সহজে খেতে পারে | খাবার পাত্রের পশে সবসময় জলের পাত্র রাখতে হয় কারণ, হাঁস খাবার খেয়েই জল পান করে |

আরও পড়ুন -Shing Fish Farming: পুকুরে লাভজনক শিং মাছ চাষ করে দ্বিগুন উপার্জন করুন

 দৈনিক খাবারের হার,

০-৪ সপ্তাহ – দৈনিক ৪ বার।

৪-৮ সপ্তাহ – দৈনিক ৩ বার।

৮ সপ্তাহের উপর – দৈনিক ২ বার।

ক্যাম্পবেল হাঁসের পরিচর্যা:

এই হাঁস উপযুক্ত যত্ন ও পরিচর্যা পেলেই মাত্র সাড়ে ৪ বয়স থেকে ডিম দিতে শুরু করে | লক্ষ রাখতে হবে, পর্যাপ্ত খাবার ও জল যেন থাকে | দিনের আলো ছাড়াও হাঁসের ঘরে যেন ২-৪ ঘন্টা কৃত্রিম আলো থাকে | কারণ, ডিম পাড়ার সাথে আলোর প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে | হাঁসের বাচ্চার বয়স ১ মাস হয়ে গেলে ঘরে তাপ দিতে হবে | জলের পাত্রে জলের গভীরতা বাড়িয়ে ১২.৫-১৫.০ সেন্টিমিটার করতে হবে যাতে হাঁস মাথা ডোবাতে পারে।

রোগের লক্ষণ:

সাধারণত, ক্যাম্পবেল হাঁসের রোগ কম | তবে দুটি মারাত্মক রোগ ডাক-প্লেগ ও ডাক-কলেরা হয়ে থাকে | এই রোগ হলে হাঁস ঝিমোয়, চোখ বন্ধ হয়ে যায় | নাক-মুখ দিয়ে জল বেরোতে থাকে | সবুজাভ-সাদা পাতলা মলত্যাগ করতে থাকে এবং ৩-৪ দিনেই হাঁস মারা যায় |

রোগের প্রতিকার:

৩ সপ্তাহ বয়সে বুকের মাংসে ১ ডাক প্লেগ টিকা দিতে হবে | ১৫ দিন পর আবার বুকের মাংসে ডাক প্লেগ টিকা দিতে হবে | ৭০ দিন বয়স হলে কলেরার টিকা দিতে হবে | ১৩০ দিন বয়সে আবার কলেরার টিকা দিতে হবে |

আরও পড়ুন - Star Fruit Cultivation: জেনে নিন ছাদে কামরাঙার চাষ পদ্ধতি

Like this article?

Hey! I am রায়না ঘোষ . Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters