শামুকের খোলস থেকে চুন তৈরি করে উপার্জন করুন

KJ Staff
KJ Staff

শামুক চাষ বাড়তি আয়ের দিশা উদঘাটন করছে। চুন তৈরির কাজে শামুকের খোলস ব্যবহার হওয়ার এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। শামুক চাষে কম পুঁজি লাগে বলে এ থেকে আয়ও হয় অনেক বেশি। তাই অনেকেই সামিল হয়েছেন শামুক চাষে। শামুককে উনুনে পুড়িয়ে চুন তৈরি হয়। কীভাবে প্রস্তুত করবেন? দেখে নেওয়া যাক,

উনুনটি ছোট্ট কুয়োর মতো আকারের করতে হবে। উনুনের নিচে ইট বিছিয়ে দিতে হবে। ইটের ওপর সাজানো হয় ভাঙা টালির অংশ। এর ওপর ছোট ছোট কাটা জ্বালানী কাঠের টুকরো বিছিয়ে তাতে কেরোসিন তেল ঢালা হয় আগুন ধরানোর জন্য। এরপর আগুন ধরিয়ে ধুঁয়া ওঠা উনুনে ঢালা হয় শামুকের খোসা। এই শামুকের খোসার ওপর আবার দেওয়া হয় জ্বালানী কাঠের টুকরো এবং তার ওপরে আবারো শামুক। অর্থাৎ জ্বালানী কাঠের টুকরো আর শামুক স্তরে স্তরে সাজাতে হবে।

শামুকের খোসা হল চুন তৈরির প্রাচীন কাঁচামাল। এই সব খোসায় আছে চুনের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট। জ্বালানী কাঠ ও শামুকের খোসায় উনুন ভরে উঠলে, উনুনের নিচের গর্ত দিয়ে বাতাস করতে হবে। বাতাস পেয়ে জ্বালানী কাঠের স্তরে স্তরে পুড়তে থাকে শামুকের খোসা । আগুনের তাপে শামুকের খোসার ক্যালসিয়াম কার্বনেট ভেঙে তৈরি হয় ক্যালসিয়াম অক্সাইড। এই ক্যালসিয়াম অক্সাইড সাধারণত চুন বা কুইক লাইম নামে পরিচিত।

পুড়ে যাওয়া শামুকের খোসার কুঁড়া চালুনি দিয়ে চেলে এরপর একটি গর্তে ঢালতে হবে। আর এতে পরিমাণ মতো জল মিশালে তৈরি হয় ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামের চুন। এটি খাওয়ার উপযোগী ধবধবে সাদা চুন। এই ভাবে শামুক দিয়ে পান খাওয়ার উপযোগী চুনও তৈরি করা যায়।

স্বপ্নম সেন (swapnam@krishijagran.com)

তথ্যসূত্র - সুমন কুমার সাহু

Like this article?

Hey! I am KJ Staff. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters