অনন্তমূল –এর উপকারীতা

Monday, 18 November 2019 11:12 PM

অনন্তমূল একটি বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল লতানে গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। রোহিণী কাণ্ডের অবলম্বনে এর বৃদ্ধি ঘটে। কাণ্ডটি সুগন্ধযুক্ত, কাণ্ড ও পাতায় আঘাত করলে সাদা তরুক্ষীর নিঃসৃত হয়। পাতা লম্বাকার এবং মধ্যশিরার ওপর সরু ঈষৎ শুভ্রাভ দাগযুক্ত। গুচ্ছাকারে সবুজ বর্ণের ফুল ধরে এবং ফল সরু ও লম্বাটে হয়।

জলবায়ু ও মাটি – অনন্তমূল গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের উদ্ভিদ। ঝোপ- ঝাড় ও পতিত জমিতে এই উদ্ভিদ দেখা যায়। প্রায় সকল ধরণের মাটিতেই এটি জন্মায়। বিশেষ কোন মাটির প্রয়োজন হয় না।

চারা তৈরি – শিকড়ের কাটিং এবং বীজের চারা বর্ষার আগে তৈরি করা শুরু হয়। বীজ মাটিতে ফেলা হয়। ৪ ইঞ্চি সাইজ করে শিকড় কেটে হাপরে বসালে ৩ সপ্তাহের মধ্যে চারা তৈরি হয়ে যাবে।

চারা রোপণ – বর্ষার শুরুতে মূলত এর চারা রোপণ করা হয়। একটি থেকে অপর চারা ২-৩ ফুট দূরত্ব রেখে বসাতে হবে।

সার প্রয়োগ পদ্ধতি – এর চাষের জন্য জমি তৈরির সময় বিঘা প্রতি ১০ কুইন্ট্যাল গোবর সার বা ভার্মিকম্পোস্ট প্রয়োগ করা হবে।

ফলন – চারা রোপণের ৬ মাস পর থেকে বছরে একাধিকবার এর শিকড়, আঠা ও পাতা সংগ্রহ করা যায়।

ঔষধি ক্ষেত্রে ব্যবহার –

  • কিডনির সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
  • রক্ত থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন অপসারণ করে।
  • রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস নিয়ন্ত্রণেও এটি সহায়তা করে।
  • হজম শক্তির বৃদ্ধি ঘটায়।
  • ১.৫ গ্রাম শিকড় বেটে মধুর সঙ্গে ৩-৪ দিন সেবন করলে কাশি নিরাময় হয়।
  • এর শিকড় বাটা লবণ সহযোগে সেবন করলে হাঁপানি রোগ থেকে মিলবে মুক্তি।
  • এই উদ্ভিদের শিকড় একজিমা রোগ নিয়ন্ত্রণে খুবই কার্যকরী।

স্বপ্নম সেন (swapnam@krishijagran.com)

English Summary: Bemifit-of-Hemidesmus- indicus

আপনার সমর্থন প্রদর্শন করুন

প্রিয় অনুগ্রাহক, আমাদের পাঠক হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মতো পাঠকরা আমাদের কৃষি সাংবাদিকতা অগ্রগমনের অনুপ্রেরণা। গ্রামীণ ভারতের প্রতিটি কোণে কৃষক এবং অন্যান্য সকলের কাছে মানসম্পন্ন কৃষি সংবাদ বিতরণের জন্যে আমাদের আপনার সমর্থন দরকার। আপনার প্রতিটি অবদান আমাদের ভবিষ্যতের জন্য মূল্যবান।

এখনই অবদান রাখুন (Contribute Now)

CopyRight - 2018 Krishi Jagran Media Group. All Rights Reserved.