Almond farming process: দেখে নিন কিভাবে সহজে আমন্ড চাষ করবেন

রায়না ঘোষ
রায়না ঘোষ
Almond tree (image credit- Google)
Almond tree (image credit- Google)

আমন্ড  বাদাম এক অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য | মুদি দোকানে এই আমন্ডের দামও বেশ অনেক, অতঃপর এর বাজার চাহিদাও প্রায় সারাবছর তুঙ্গে থাকে | এই আমন্ড বাদাম আমাদের ত্বক, চুল উজ্জ্বল করতে যেমন কাজে লাগে তেমনি আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে | আপনিও নিশ্চই আপনার বাড়িতে এই আমন্ডের চাষ করতে ইচ্ছুক ? আপনি আরও অবাক হবেন খুব সহজেই আমন্ডের বীজ থেকেই চারা তৈরী করতে পারবেন ঘরে | তবে, দেখে নিন কোন পদ্ধতিতে আমন্ডের বীজ থেকে চারা তৈরী করা যায়,

প্রথম পর্ব(1st Step):

প্রথমে ১০ থেকে ১২ টা আমন্ড নিয়ে এক টা কাপে জল দিয়ে প্রায় ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে | মাঝে একবার জল বদলে দিতে হবে যাতে ছত্রাক না লাগে |

দ্বিতীয় পর্ব(2nd Step):

১২ ঘন্টা পর দেখা যাবে বাদামগুলো ফুলে উঠেছে | এরপর একটা আয়তাকার জায়গায় কোকোপিটের একটা স্তর রাখতে হবে | কোকোপিট্ জলে ভিজিয়ে নিংড়ে নিয়ে রাখতে হবে | তার ওপরে বাদামগুলো সাজিয়ে নিতে হবে | তার ওপরে আবার কোকোপিট্ দিয়ে দিতে হবে | যেহেতু আমন্ড উৎপাদনের জন্য ঠান্ডা আবহাওয়া প্রয়োজন, তাই যে আয়তাকার বাক্স নেওয়া হয় সেটার ঢাকা বন্ধ করে ফ্রিজের যেখানে সব্জি রাখা হয় সেখানে রাখতে হবে | মনে রাখতে হবে, কখনোই ডিপ ফ্রিজে রাখা যাবেনা |

১০ থেকে ১৫ দিন পর খুলে একবার পরীক্ষা করা যেতে পারে | তবে, অঙ্কুরোদগমের জন্য মূলত ২০ থেকে ২৫ দিন লাগে | ২২ ২৩ দিন পর দেখা যাবে অঙ্কুরোদ্গম হয়েছে যা বপণ যোগ্য |

রোপণ পদ্ধতি(Plantation method):

প্রথমে ৫০ শতাংশ কোকোপিট্ নিতে হবে | বাগানের মাটি কিছুটা, কিছুটা পারলাইট, কিছুটা বালি ও দুমুঠো কম্পোস্ট নিয়ে একটা ৫০ শতাংশের মিশ্রণ বানাতে হবে | এই মিশ্রনের সঙ্গে ৫০ শতাংশ কোকোপিট্ মিশিয়ে দিতে হবে | এরপর এক একটি টবে ১ টি করে বীজ পুঁতে দিতে হবে | পরথমে মাটির মিশ্রণ দিয়ে তারপরে বীজ দিয়ে তারপর আবার ১ ইঞ্চি মতো মাটির স্তর দিয়ে টব ভর্তি করতে হবে | ওপর থেকে জল দিয়ে দিতে হবে | ছায়া তে রাখতে হবে টব | করা রোদে রাখা যাবেনা |

আরও পড়ুন - Student credit card 2021: সুখবর! পুজোর আগেই হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা

সার প্রয়োগ(Fertilizer):

এই গাছের সর্বাধিক পুষ্টি ও বৃষ্ঠির জন্য প্রয়োজনীয় ২ শতাংশ নাইট্রোজেন, ১.২ শতাংশ পটাসিয়াম, ২.২ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ০.৩ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম | ১ থেকে ৩ বছরের গাছের জন্য, গাছ বসানোর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছরের পর থেকে ৫.৩ oZ প্রয়োগ করতে হবে |  বৃদ্ধিপ্রাপ্ত গাছের জন্য ৩.৬ থেকে ৫.৪ কেজি ১২:১২:১৭ নাইট্রোজেন, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম মিশিয়ে তার সাথে ২ গ্রাম ম্যাগনেসিয়ামঅক্সাইড মিশিয়ে গাছে প্রয়োগ করতে হবে | ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাসে জলে দ্রবীভূত সার এন-পি-কে ১৫:১৫:১৫ হরে প্রয়োগ করতে হবে | এপ্রিল-মে মাসের দিকে গাছে সেচ দিতে হবে | এই গাছে নিমখোল ও কম্পোস্ট সার হিসাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে |ছত্রাক লেগে যাতে গাছের ক্ষতি না হয়, তাই গাছকে সবসময় ছায়া যুক্ত স্থানে রাখতে হবে | প্রয়োজনে নিম তেল প্রয়োগ করা যেতে পারে |আগাছা জন্মালে তা অবশ্যই পরিষ্কার করে দিতে হবে |

আরও পড়ুন -Sheep rearing guide: স্বল্প পুঁজিতে গাড়ল পালনে হয়ে উঠুন লাভবান

Like this article?

Hey! I am রায়না ঘোষ . Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters