PPPs in agri infrastructure: কৃষিতে জেলাভিত্তিক পরিকাঠামোগত বিনিয়োগ প্রয়োজন

রায়না ঘোষ
রায়না ঘোষ
PPPs in agriculture (image credit- Google)
PPPs in agriculture (image credit- Google)

কোভিড-১৯-এর সময় বিশেষ করে দ্বিতীয় ঢেউ-র সময় কৃষিক্ষেত্রে যথেষ্ট স্থিতিস্থাপকতা দেখা গেছে। এমন সময়ে যখন জাতীয় জিভিএ (GVA ) প্রায় ৭.২  শতাংশ সংকুচিত হয়েছিল, তখন কৃষি খাত স্থিতিশীল দামে প্রায় ৩.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কৃষিক্ষেত্রে এই সময় এক বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল, পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব যা কৃষিকাজে আমদানি ও রপ্তানির বাধা সৃষ্টি করেছিল | কৃষক এবং এফপিওগুলির (FPOs )সাথে একটি দ্রুত ডিপস্টিক সমীক্ষা ফসল কাটার পরের ৩ টি মূল পরামর্শ দিয়ে থাকে যা হলো, সংরক্ষণ এবং প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাব, নির্ভরযোগ্য ও পরিবহনের অযোগ্যতা এবং বিপণনের পরিকাঠামোগত অভাব |

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি কলা চাষী ফলের পরিপক্কতার অভাবে ২০ শতাংশের বেশি প্রিমিয়াম খুইয়েছে, একটি গম কৃষক ১০-২০ শতাংশ প্রিমিয়াম খুইয়েছে এবং সংরক্ষণের অভাবের কারণে ১-৩ শতাংশ ফসল নষ্ট হয়েছে | সর্বোপরি এই একই চিত্র প্রায় কম-বেশি সব ফসলের ক্ষেত্রে |

বিনিয়োগ(Infra investments):

সুতরাং, ফসল কাটার পরের পরিকাঠামোতে  বিনিয়োগ করা বেশ কষ্টসাধ্য | এটি কৃষকদের উচ্চ ফসল কাটার পরে পরিচালন ব্যয় হ্রাস করতে এবং ১০-১৫ শতাংশ কম দাম আদায় করতে বোঝায় | ভারতের খাদ্য বর্জ্য বর্তমানে ২০ শতাংশ ছাড়িয়েছে যার ফলে বাজারজাত বা রপ্তানিযোগ্য উদ্বৃত্ত হয় | কৃষিক্ষেত্রের অবকাঠামোগত সুফল পাওয়া সত্ত্বেও, কৃষিতে মোট পুঁজি গঠনের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে ২০১৪ সালের ১৭.৭  শতাংশ থেকে ২০১৯ সালে ১৬.৪ শতাংশে | ২০২০ সালের জুনে, সরকার এই প্রবণতাটি ফিরিয়ে আনার অভিপ্রাণ উদ্দেশ্য নিয়ে, কৃষি পরিকাঠামো তহবিলে ১ লক্ষ কোটি অর্থায়নের সুবিধার কথা বলেছিল। এআইএফ (AIF ) বিনিয়োগকারীদের ফসল কাটার পরের পরিকাঠামো  এবং কৃষিকাজ সম্পদ স্থাপনের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে | যার মধ্যে ৩ শতাংশ হরে সুদ এবং ঋণের গ্যারান্টি থাকে |

আরও পড়ুন -শেড নেট পদ্ধতিতে পান চাষে বিঘা প্রতি ব্যাপক আয়ের সুযোগ

কার্যকারিতা(Viability factor):

ফার্মগেটের কাছাকাছি থাকা ছোট ইউনিটগুলির অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হলো তারা কার্যকারিতার দিক থেকে অক্ষম | অতএব, এআইএফ-র অধীনে স্থাপন করা পরিকাঠামোগুলির কার্যকারিতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো  বিনিয়োগকারীদের - যেমন কৃষক, এফপিও এবং এমএসএমই - এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের - যেমন এফএমসিজি সংস্থাগুলি, গুদাম ভাড়া ও  খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সক্রিয়ভাবে সংযোগ গড়ে তোলা |

৪টি উদ্দেশ্য(Four objectives):

ডিআইএ (DIA) বিভিন্ন মডেল স্বতন্ত্র ইউনিট বা জেলা পর্যায়ে বিদ্যমান অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক মডেলগুলির সাথে সংযোগ করতে পারে | ডিআইএ (DIA ) র দৃষ্টিভঙ্গি ৪ টি মূল লক্ষ্য অর্জন করা উচিত - প্রয়োজনীয়তার মূল্যায়ন করা এবং বিনিয়োগের সুযোগগুলি চিহ্নিত করা, সাধারণ স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ব্যবসায়ের পরিকল্পনায় ক্ষুদ্র উদ্যোগকে টানতে এবং সমর্থন করা, আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের  প্রশিক্ষণ দেওয়া, এবং সংযোগের মাধ্যমে বিনিয়োগকে কার্যকর করে তোলা |

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPPs) ভারতে ফসল কাটার পরের পরিকাঠামো সাফল্য এবং সম্ভাব্যতার মূল বিষয় হবে। জেলা বিনিয়োগকারীরা সেই কাজ করতে পারেন |

আরও পড়ুন:গ্রাম রোজগার সহায়ক পদে কর্মী নিয়োগ, দেখুন বিস্তারিত তথ্য

Like this article?

Hey! I am রায়না ঘোষ . Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters