Commercial Grain Cultivation: জেনে নিন বিশ্ব জুড়ে বাণিজ্যিক শস্য চাষের গুরুত্ব

Commercial Grain Farming
Commercial Grain Farming

সমগ্র বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন রকমের কৃষিপ্রথা চালু রয়েছে। স্থানান্তরিত কৃষি, নিবিড় কৃষির সঙ্গে এক পঙক্তিতে নাম আসে বাণিজ্যিক শস্য চাষেরও। বলা চলে, বাণিজ্যিক শস্য চাষ কৃষির বিস্তৃত ও যান্ত্রিক এক পদ্ধতি। উপক্রান্তীয় এবং নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলে অবস্থিত আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা প্রভৃতি দেশে এই চাষ প্রসিদ্ধি লাভ করে। মূলত এই কৃষি ব্যবস্থার অঞ্চল কম জনবসতিপূর্ণ এবং যান্ত্রিক উপায়ে এখানে চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। বাণিজ্যিক শস্য চাষে শারীরিক শ্রম কম দিলেই চলে। অনেকখানি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত জমিতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে চাষ করা হয়। যন্ত্রপাতির ব্যবহার এই চাষের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় করা হয় বলে বাণিজ্যিক শস্য চাষ যান্ত্রিক কৃষি নামেও পরিচিত।

চাষের অঞ্চল (Proper Land)

উত্তর আমেরিকায় বাণিজ্যিক শস্য চাষের বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে। সবচেয়ে বড় এলাকা আলবার্তা থেকে সাসকাচোয়ান এবং ম্যানিটোবা হয়ে ডাকোটা পর্যন্ত চলে। কানসাস হল বাণিজ্যিক শস্য চাষের আরেকটি উর্বর ক্ষেত্র। কানসাসের প্রতিবেশী অঞ্চলগুলিতেও এই বাণিজ্যিক শস্য চাষ প্রভূত পরিমানে হয়। পূর্ব ওয়াশিংটন এবং ওরেগন, পূর্ব ইলিনয় এবং উত্তর আইওয়াতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে এই জাতীয় চাষের পদ্ধতি চোখে পড়ে।

দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনাও বাণিজ্যিক শস্য চাষের একটি বড় ক্ষেত্র। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্বও বাণিজ্যিক শস্য চাষের জন্য খ্যাত।

বাণিজ্যিক শস্য চাষের বৈশিষ্ঠ্য (Characteristics)

১) বাণিজ্যিক শস্য চাষে মূলত এক ধরনের শস্যই চাষ করা হয়। মূলত গমের চাষই বাণিজ্যিক শস্য চাষে একচেটিয়া ভাবে করা হয়ে থাকে। শীতকালীন এবং বসন্তকালীন গম এখানে চাষাবাদ করা হয়।

২) কৃষি কাজে ব্যবহৃত জমির আকার বিশাল পরিমাণের হয়। অনেক সময় এই জমির মাপ 350 থেকে 800 হেক্টরকেও ছাড়িয়ে যায়। জনসংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় মাথাপিছু জমির ভাগ প্রচুর পরিমাণে থাকে।

আরও পড়ুন: Bay Leaf Farming Procedure: শতবর্ষী তেজপাতা গাছ চাষের সহজতম উপায়

৩)  এই চাষ পদ্ধতি ভীষণ রকমের যন্ত্র নির্ভর। ট্রাক্টর, হারভেস্টারের মতন উন্নত ও আধুনিক যন্ত্রপাতি এই চাষে ব্যবহার করা হয়। উন্নত মানের বীজ, রাসায়নিক সার এই কৃষিকার্যে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়।

৪)  অধিক পরিমাণ ফসল মাথাপিছু উৎপাদন হয়। জনসংখ্যা কম হওয়ায় ফসলও অনেক পরিমাণে বেঁচে যায়।

৫) এই কৃষি মূলত যন্ত্রনির্ভর হওয়ায়, যন্ত্রের পিছনেই অধিক পরিমাণে ব্যয় হয়। ফলে এই কৃষি ব্যবস্থায় মূলধনেরও বেশি যোগান থাকে।

৬) এই কৃষি ব্যবস্থায় গম ফলনে বেশি জোর দেওয়ায়, এই শস্য বাণিজ্যিক ভাবে বেশি উৎপন্ন হয়।

৭) এই কৃষি ব্যবস্থায় বাণিজ্যের উপর অধিক পরিমাণে জোর দেওয়া হয়। উৎপাদিত ফসল অনেকাংশে উদ্বৃত্ত হওয়ায় এটি সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন: Sweet Tamarind Farming: টবে লাগান মিষ্টি তেঁতুল গাছ

Like this article?

Hey! I am কৌস্তভ গাঙ্গুলী. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters