Paddy farming process: ধান চাষে ব্যাপক সাফল্য বাংলাদেশের কৃষকদের

রায়না ঘোষ
রায়না ঘোষ
Paddy farming (image credit- Google)
Paddy farming (image credit- Google)

বাংলদেশে ভোলায় র্দীঘদিন ধরে আউশ ধানের চাষ করে তেমন সফলতা না পেলেও, এবার সফলতার মুখ দেখছেন কৃষকরা। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগীতায় ব্রি হাইব্রিড ৭ জাতের আউশ ধান করে সফল ভোলার কৃষকরা। কৃষকদের মতে, এ জাতের আউশ ধানের চাষে (Successful paddy farmer) কম সময় লাগে। অন্যদিকে ক্ষেতে তেমন একটা রোগ, পোকামাকড়ের আক্রমণ নেই। আর খুব কম খরচে অধিক ফসল ঘরে তুলতে পারছেন তারা।

উৎপাদিত ধানের পরিমান:

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ভোলার ৭ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কৃষক রয়েছে। প্রতি বছরই তারা বিভিন্ন ধরনের ধান চাষ করে আসছেন। এ বছর বর্ষার মৌসুমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগীতায় ও ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বাস্তবায়নে জেলার ৬ উপজেলায় প্রায় ২০০ কৃষক ১৯৮ হেক্টর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রি হাইব্রিড ৭ জাতের আউশ ধানের চাষ করে। আর হেক্টর প্রতি ৭ টন ধান পাচ্ছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন জাতের এ ধান কৃষকদের সফলের মাঠে পেকে যাওয়ায় হাসি ফুটে উঠেছে কৃষকদের মুখে। আবার কোন কোন কৃষক আনন্দের সাথে পেকে যাওয়া ধান কাটার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটছেন। আবার কেউ কেউ অন্য পদ্ধতিতে কাঁচি দিয়ে ধান কাটছেন।

কৃষকদের সাফল্যের কাহিনী(Success story):

ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও রাজাপুর ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের কৃষক মো. ইয়ানুর রহমান বিপ্লব মোল্লা জানান, প্রথমবারের মতো ব্রি হাইব্রিড ৭ জাতের আউশ ধান চাষ করেছেন তিনি এবং ক্ষেতে ব্যাপক ফসল হয়েছে | তিনি আরো জানান, মাত্র ১১০ দিনের মধ্যে ধান কাটার উপযোগী হওয়ায় তাই তারা তাড়াতাড়ি ধান কাটা শুরু করে দিয়েছেন। হেক্টর প্রতি ৭ টন করে ধান পাচ্ছেন তারা এবং এতে তারা লাভবান হয়েছেন |

আরও পড়ুন -Periphyton based aquaculture: মাছ চাষে পেরিফাইটন পদ্ধতিতে উৎপাদন বাড়বে তিনগুন

কৃষক মো. ইব্রাহীম ও মো. শফিক জানান, সাধারণ আউশ ধান চাষ করতে আমাদের ক্ষেতে ব্যাপক সার, কীটনাশক, পরিশ্রম ও অনেক টাকা ব্যয় করতে হয়। সে তুলনায় তেমন ফসল ঘরে তুলতে পারা যায় না। কিন্তু ব্রি হাইব্রিড ৭ জাতের আউশ ধানের ক্ষেতে খুবই কম পরিমাণ সার, কীটনাশক ব্যবহার হয়। এতে তেমন পরিশ্রম হয় না। এছাড়াও অনেক কম খরচে অধিক ফসল পাওয়া যায়।

কৃষক মো. ইলিয়াস হোসেন জানান,  ধান কেটে হেক্টর প্রতি ১৭৫ মণ অর্থাৎ, ৭ হাজার কেজি ধান পাওয়া যাচ্ছে । এ ধান যারা চাষ করেছেন তারাই বেশ লাভবান হচ্ছেন। তিনি আরো জানান, আগামী বছরও কৃষকরা জমিতে এ জাতের ধান চাষ করবো। ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ভোলার কৃষকদের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগীতায় ব্রি হাইব্রিড ৭ জাতের আউশ ধানের ব্রিজ বিনামূল্যে দিয়েছে পরীক্ষামূলক চাষ করার জন্য। আর তা সফলতা পেয়েছে এবং কৃষকরা হেক্টর প্রতি ৭ টন করে ধান পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন -Black wheat farming: এই জাতের গম চাষে কৃষকবন্ধুরা পাবেন অধিক ফলন

Like this article?

Hey! I am রায়না ঘোষ . Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters