(Goat disease management) উন্নত আয়ের লক্ষ্যে ছাগলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও রোগ প্রতিরোধ

KJ Staff
KJ Staff
Take care of goat
Take care of goat

ছাগল পালন কৃষকদের আয় বাড়ানোর একটি ভাল উপায়। ছাগল লালনপালনের জন্য খুব কম খরচ হয়। তবে ছাগলরা যদি রোগে আক্রান্ত হয় তা পালকের পক্ষে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আজ আমরা কৃষক এবং পশুপালকদের জন্য ছাগলের রোগ ও রোগ সম্পর্কিত তথ্য, তাদের সনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধ সম্পর্কিত তথ্য প্রদান করব।

এই সময়ে ছাগলের রোগ (Goat Safety), খাদ্য সংক্রান্ত বিষয়ে বহু সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়৷ কারণ বর্ষাকালে (Monsoon 2020) ছাগলের পেটে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা প্রায়শই হয়ে থাকে৷ বিশেষ করে ডায়েরিয়ার সমস্যা৷ এতে ছাগল দুর্বল হয়ে পড়ে৷

ছাগলের কয়েকটি রোগ ও তার প্রতিকার -

নিউমোনিয়া -

ছাগলের যদি ঠান্ডা লাগে, নাক থেকে তরল পদার্থ নির্গমন হয়, মুখ খুলতে অসুবিধা বা কাশি, জ্বর হওয়ার মতো লক্ষণগুলি দেখা যায়, তবে ছাগলটির নিউমোনিয়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিরোধ - ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ছাগলকে মুক্ত জায়গায় ছাগলকে রাখবেন না, ঘেরা জায়গা বা ছাদযুক্ত ঘরে রাখুন।

প্রতিকার - অ্যান্টিবায়োটিক ৩ থেকে ৫ মিলি। ৩ থেকে ৫ দিনের জন্য কাশি হলে, ৬-১২ গ্রাম কেফলন পাউডার প্রতিদিন ৩ দিনের জন্য দিন।

ক্ষুরা রোগ -

ক্ষুরা রোগ অতি তীব্র প্রকৃতির সংক্রামক ভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত পশুর মুখ ও পায়ে ঘা হবার ফলে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে না এবং খুঁড়িয়ে হাটে। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই এ রোগ দেখা যায়।

প্রতিকার - লাল ওষুধ/ফিনাইল/ডেটল ইত্যাদি এর মধ্যে যে কোন একটি দিয়ে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে দিন এবং ক্ষতের উপর লোরেক্সান বা বিটাডিন লাগান।

ডায়রিয়া -

ছাগল যদি দুর্বল হয়ে পড়ে, তরল আকারে মল বেরিয়ে আসে, তবে তা ডায়রিয়ার লক্ষণ।

প্রতিকার - এর প্রতিকারের জন্য, ১৫-২০ গ্রাম নেবলন পাউডার ৩ দিনের জন্য দিন।প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

Goat disease prevention
Goat disease prevention

টিকাপ্রদান –

ভাইরাসজনিত রোগ যেমন পিপিআর, গোটপক্স, ক্ষুরা রোগ ইত্যাদি এবং ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ যেমনএনথ্রাক্স, ব্রুসেলোসিস ইত্যাদি খুবই মারাত্মক বলে এগুলির বিরুদ্ধে যথাযথ টিকা প্রদান করা আবশ্যিক। যে সকল ছাগীকে পূর্বে পিপিআর, গোটপক্স, একথাইমা, ব্রুসেলোসিস ইত্যাদি টিকা দেওয়া হয় নি, তাদেরকে গর্ভের পঞ্চম মাসে উক্ত ভ্যাকসিনগুলি দিতে হবে। বাচ্চার বয়স যখন ৫ মাস, তখন তাকে পিপিআর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দিতে হবে

কৃমিনাশক ঔষধ প্রয়োগ –

সকল ছাগলকে নির্ধারিত মাত্রায় বছরে দুবার কৃমিনাশক ঔষধ প্রদান করতে হবে। কৃমিনাশক কর্মসূচী অনুসরণের জন্য পশু চিকিৎসকের ব্যবস্থা পত্র অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Image source - Google

Related link - (Get fertilizer subsidy of Rs 5,000) প্রধানমন্ত্রী-কিষাণ –এর আওতাভুক্ত কৃষকরা ৬,০০০ টাকা ছাড়াও পাবেন পাঁচ হাজার টাকার সার ভর্তুকিতে, সুপারিশ সিএসিপি-র

(Animal rearing) এই পদ্ধতিতে পশুপালন করে আয় করুন অতিরিক্ত অর্থ

Like this article?

Hey! I am KJ Staff. Did you liked this article and have suggestions to improve this article? Mail me your suggestions and feedback.

Share your comments

আমাদের নিউজলেটার অপশনটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার আগ্রহের বিষয়গুলি বেছে নিন। আমরা আপনার পছন্দ অনুসারে খবর এবং সর্বশেষ আপডেটগুলি প্রেরণ করব।

Subscribe Newsletters